সর্বশেষ

মালদ্বীপে নির্বাচন

ফলাফল আদালতে চ্যালেঞ্জ প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনের

ফলাফল আদালতে চ্যালেঞ্জ প্রেসিডেন্ট ইয়ামিনের

ডেস্ক : মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন সাম্প্রতিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার হারের বিরুদ্ধে আদালতে একটি চ্যালেঞ্জ দাখিল করেছেন। তার আইনজীবী বলেছেন, সমর্থকদের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে প্রচুর অভিযোগ এসেছে। প্রেসিডেন্টের আইনজীবী মোহাম্মদ সেলিম জানান, গতকাল বুধবার দেশটির সুপ্রিম কোর্টে এ চ্যালেঞ্জটি দাখিল করা হয়। দীর্ঘ দিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার পর গত মাসের ২৩ তারিখে দ্বীপরাষ্ট্রটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তাতে ১৬ শতাংশের ব্যবধানে আবদুল্লাহ ইয়ামিনকে হারিয়ে জয়ী হন বিরোধীদলীয় প্রার্থী ইবরাহিম মোহাম্মদ সালিহ। ফল প্রকাশিত হওয়ার পর সব পক্ষই এটি মেনে নেয়। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নও এ ফলকে স্বাগত জানায়। আবদুল্লাহ ইয়ামিনও ওই ফল মেনে নেন; কিন্তু পরে তিনি ভোটে কারচুপির অভিযোগ আনেন। তিনি এ অভিযোগের পেছনে কিছু প্রমাণ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন। তার আইনজীবী সালিম সরকারপন্থী একটি টিভি চ্যানেলকে জানান, সমর্থকদের পক্ষ থেকে ভোটের ফল নিয়ে আসা প্রচুর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট আবদুল্লাহ ইয়ামিন সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক মামলা দায়ের করেছেন। এ সময় তিনি এ বিষয়ে প্রচুর প্রমাণ ও সাক্ষী রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন। তবে মামলা দায়েরের কথা উল্লেখ করলেও নির্বাচনী ফল বাতিলের দাবি করা হয়েছে কি না সে ব্যাপারে তিনি পরিষ্কার কিছু জানাননি। এ দিকে বিরোধীদলীয় নেতা আহমেদ মাহলুফ নির্বাচনের ফল রক্ষার্থে প্রস্তুত হতে মালদ্বীপের নিরাপত্তাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান। এর আগে দেশটির সেনা ও পুলিশবাহিনী জানিয়েছিল, তারা নির্বাচনের ফলকে সমর্থন জানাচ্ছে। প্রেসিডেন্টের প্রতি করা এক টুইটে বলেন, জনগণের সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিনিমিনি খেলবেন না। ক্ষমতাসীন প্রোগ্রেসিভ পার্টি অব দ্য মালদ্বীপস (পিপিএম) গত মঙ্গলবার জানায়, নির্বাচনে ব্যাপক মাত্রায় ভোট কারচুপি, জালিয়াতি, দুর্নীতি ইত্যাদির বিরুদ্ধে আদালতে আইনি আশ্রয় চেয়েছেন। ক্ষমতাসীন দলের আইনজীবী আবদুল্লাহ শাইয়াজ চ্যানেল ১৩-কে বলেন, সুপ্রিম কোর্ট তাদের মামলা গ্রহণ করবেন বলে তারা আশাবাদী এবং সমর্থকদের পক্ষ থেকে ওঠা উদ্বেগ সমাধানের ব্যাপারে আমরা একটি সুন্দর সমাধান বের করতে পারব। তবে নির্বাচন কমিশন তাদের এই অভিযোগ ভুয়া বলে আখ্যায়িত করেছে এবং বলেছে, নির্বাচনের সাথে যুক্ত কর্মীরা নির্বাচনের পর থেকে ক্রমাগত হুমকি পেয়ে আসছেন।

মন্তব্য করুন